ডা. ফাতেমা
বেগম
অধ্যাপক , গাইনি ও অবস বিভাগ
স্যার সলিমুলল্গাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড, ঢাকা।
সমস্যা : নারায়ণগঞ্জের রূপসা থেকে আলেয়া হাবীব (২৪) লিখেছেন, তিনি অবিবাহিত এবং তিন বছর ধরে প্রায় ২-৩ মাস পর পর তার মাসিক হয়। মাসিকের আগে-পরে কোনো ব্যথা হয় না। মাসিকের সময় খুব অল্প পরিমাণে রক্ত যায়। দিন দিন মাসিকের সময় কমে যাচ্ছে। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞকে দেখালে তিনি তাকে আলট্রাসনোগ্রাম ও রক্ত পরীক্ষা করতে দেন। কিন্তু পরীক্ষায় কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। এরপর তিনি মাসিকের আগে সাতদিন নরকুলেট ট্যাবলেট সেবনের পরামর্শ দেন। ট্যাবলেট খেলে মাসিক হয়, কিন্তু ট্যাবলেট খাওয়া বন্ধ করলে মাসিক আবার অনিয়মিত হয়ে পড়ে। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান জানতে চেয়েছেন তিনি।
সমাধান : মাসিক বিভিন্ন কারণে অনিয়মিত হতে পারে। যেহেতু পরীক্ষা-নিরীক্ষায় খারাপ কিছু ধরা পড়েনি তাই মনে হচ্ছে অতিরিক্ত ওজন আপনার মাসিক অনিয়মের জন্য দায়ী। যদিও আপনি আপনার ওজন কত তা জানাননি। ওজন কমালে মাসিক নিয়মিত হতে পারে। যদি এতে না হয়, তাহলে আপনাকে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। অনেক সময় হরমোনের সমস্যার জন্য এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। এজন্য স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের বা এন্ডোক্রাইনোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে হরমোন পরীক্ষা করে তদনুযায়ী ওষুধ সেবন করে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।
ডা. আবদুল মান্নান সরকার
কনসালট্যান্ট ও কো-অর্ডিনেটর
ডায়াবেটিক ও হরমোন বিভাগ
অ্যাপোলো হসপিটালস, ঢাকা।
সমস্যা : নাটোরের নওয়াপাড়া থেকে আসমা করিম (২৭) লিখেছেন, কয়েক মাস ধরে তিনি একটুতেই ক্লান্তিবোধ করেন, কোনো কাজে ঠিকমতো মনোযোগ দিতে পারেন না। ঘুমের পরিমাণও বেড়ে গেছে। সারাদিন ঘুম ঘুম লাগে। শরীরের ওজনও দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। গত দু'মাসে ওজন প্রায় ২ কেজি বেড়েছে। ঠাণ্ডা একদমই সহ্য করতে পারেন না। প্রায় সময়ই কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা যায়। মাসিক অনিয়মিত হয়, মাসিকের সময় রক্ত খুব কম যায়। এ সমস্যার সমাধান জানতে চেয়েছেন তিনি।
সমাধান : বিবরণ শুনে মনে হচ্ছে আপনি থাইরয়েড় গ্রন্থির সমস্যায় ভুগছেন। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসরণ কমে গেলে এ সমস্যা দেখা দেয়। যেটাকে হাইপোথাইরয়ডিজম বলা হয়। তারপরও আপনাকে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। রক্তে এফটি৪ ও টিএইচএস-এর মাত্রা নির্ণয় করে এ রোগটি পুরোপুরি নির্ণয় করা সম্ভব। থাইরক্সিন দিয়ে এ রোগের চিকিৎসা করা হয়। নিজে থেকে এ ওষুধ সেবন করবেন না। চিকিৎসক ওষুধের মাত্রা ঠিক করে দেবেন। আপনি দ্রুত একজন হরমোন বিশেষজ্ঞ বা মেডিসিন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন।
গ্রন্থনা : নুরে আলম সিদ্দিক
অধ্যাপক , গাইনি ও অবস বিভাগ
স্যার সলিমুলল্গাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড, ঢাকা।
সমস্যা : নারায়ণগঞ্জের রূপসা থেকে আলেয়া হাবীব (২৪) লিখেছেন, তিনি অবিবাহিত এবং তিন বছর ধরে প্রায় ২-৩ মাস পর পর তার মাসিক হয়। মাসিকের আগে-পরে কোনো ব্যথা হয় না। মাসিকের সময় খুব অল্প পরিমাণে রক্ত যায়। দিন দিন মাসিকের সময় কমে যাচ্ছে। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞকে দেখালে তিনি তাকে আলট্রাসনোগ্রাম ও রক্ত পরীক্ষা করতে দেন। কিন্তু পরীক্ষায় কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। এরপর তিনি মাসিকের আগে সাতদিন নরকুলেট ট্যাবলেট সেবনের পরামর্শ দেন। ট্যাবলেট খেলে মাসিক হয়, কিন্তু ট্যাবলেট খাওয়া বন্ধ করলে মাসিক আবার অনিয়মিত হয়ে পড়ে। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান জানতে চেয়েছেন তিনি।
সমাধান : মাসিক বিভিন্ন কারণে অনিয়মিত হতে পারে। যেহেতু পরীক্ষা-নিরীক্ষায় খারাপ কিছু ধরা পড়েনি তাই মনে হচ্ছে অতিরিক্ত ওজন আপনার মাসিক অনিয়মের জন্য দায়ী। যদিও আপনি আপনার ওজন কত তা জানাননি। ওজন কমালে মাসিক নিয়মিত হতে পারে। যদি এতে না হয়, তাহলে আপনাকে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। অনেক সময় হরমোনের সমস্যার জন্য এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। এজন্য স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের বা এন্ডোক্রাইনোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে হরমোন পরীক্ষা করে তদনুযায়ী ওষুধ সেবন করে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।
ডা. আবদুল মান্নান সরকার
কনসালট্যান্ট ও কো-অর্ডিনেটর
ডায়াবেটিক ও হরমোন বিভাগ
অ্যাপোলো হসপিটালস, ঢাকা।
সমস্যা : নাটোরের নওয়াপাড়া থেকে আসমা করিম (২৭) লিখেছেন, কয়েক মাস ধরে তিনি একটুতেই ক্লান্তিবোধ করেন, কোনো কাজে ঠিকমতো মনোযোগ দিতে পারেন না। ঘুমের পরিমাণও বেড়ে গেছে। সারাদিন ঘুম ঘুম লাগে। শরীরের ওজনও দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। গত দু'মাসে ওজন প্রায় ২ কেজি বেড়েছে। ঠাণ্ডা একদমই সহ্য করতে পারেন না। প্রায় সময়ই কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা যায়। মাসিক অনিয়মিত হয়, মাসিকের সময় রক্ত খুব কম যায়। এ সমস্যার সমাধান জানতে চেয়েছেন তিনি।
সমাধান : বিবরণ শুনে মনে হচ্ছে আপনি থাইরয়েড় গ্রন্থির সমস্যায় ভুগছেন। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসরণ কমে গেলে এ সমস্যা দেখা দেয়। যেটাকে হাইপোথাইরয়ডিজম বলা হয়। তারপরও আপনাকে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। রক্তে এফটি৪ ও টিএইচএস-এর মাত্রা নির্ণয় করে এ রোগটি পুরোপুরি নির্ণয় করা সম্ভব। থাইরক্সিন দিয়ে এ রোগের চিকিৎসা করা হয়। নিজে থেকে এ ওষুধ সেবন করবেন না। চিকিৎসক ওষুধের মাত্রা ঠিক করে দেবেন। আপনি দ্রুত একজন হরমোন বিশেষজ্ঞ বা মেডিসিন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন।
গ্রন্থনা : নুরে আলম সিদ্দিক
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন